বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

অবশেষে সৌদিআরবে কফিল প্রথা বাতিল

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০, ৭.৪০ পিএম
  • ৭৩৩ বার পঠিত

বিতর্কিত কফিল প্রথা অবশেষে বাতিল ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে গত বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে ছোট মোয়াচ্ছাছা (কোম্পানি) শ্রমিকদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে নেওয়া হবে। তবে ওই আইন এখনও কেবল বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গৃহস্থালি কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের (গৃহকর্মী, গাড়িচালক) জন্য আলাদাভাবে চিন্তা করছে মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। গতকাল বুধবার দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ক একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলাইমান বিন আবদুল আজিজ।

চুক্তি অনুযায়ী কার্যত বাতিল হচ্ছে কফিল প্রথা। ফলে এখন থেকে সৌদি আরবে কাজ করতে প্রবাসীদের আর কোনো কফিলের দ্বারস্থ হতে হবে না। নিজের মতো করেই কাজকর্ম করতে পারবেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে, যেহেতু ছোট মোয়াচ্ছাছার শ্রমিকরা এখন থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থেকে কাজ করবে তাই তাদের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি পাবে।

কফিল প্রথা হচ্ছে সৌদির কোনো নাগরিকের অধীনে থেকে তার নামে কাজ কিংবা ব্যবসা করা। এর বিনিময়ে ওই সৌদি নাগরিক মাসে মাসে একটা লভ্যাংশ নেন সেই প্রবাসীর কাছ থেকে। এ কারণে অনেক কপিল ও নিয়োগকর্তাই আইনের মারপ্যাঁচে প্রবাসীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এমনকি নানা নির্যাতনেরও শিকার হন। এসব অত্যাচার-নির্যাতনের কোনো সুবিচারও মেলে না। সবকিছু নীরবেই সহ্য করতে হয়। সবচেয়ে কঠিন অবস্থায় পড়েন গৃহস্থালি কাজে নিযুক্ত অভিবাসীরা। বর্তমানে কফিল পদ্ধতির অধীনে দেশটিতে লাখো বাংলাদেশিসহ এক কোটিরও বেশি বিদেশি শ্রমিক বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs