1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. teknafnews24@gmail.com : tahernaeem :
অরক্ষিত সীমান্তে মিয়ানমারের অশুভ তৎপরতা - Teknaf News24
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তের গুলিতে ৬ রোহিঙ্গা নিহত মণ্ডপে কুরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছে’ ইকবাল দৈনিক কক্সবাজার ৭১ কার্যালয়ে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না! বাংলাদেশ কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী-মৌলবাদীর আস্তানা হতে পারে না- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে ৩৯২ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা টেকনাফে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক হস্তান্তর হোয়াইক্যং বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচনে হানিফ সভাপতি,মুর্শেদ সম্পাদক নির্বাচিত আইসের চালান ধরা পড়লে টাকা দিতে হয় না মিয়ানমারে

অরক্ষিত সীমান্তে মিয়ানমারের অশুভ তৎপরতা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২১৪ বার পঠিত

ডেস্ক নিউজ:: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) নিরাপত্তা চৌকি কিংবা ক্যাম্প বসানোর মতোও পরিবেশ নেই। এ এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো মাদক, অবৈধ অস্ত্রসহ নানা ধরনের জিনিস চোরাচালান করছে। এমনকি এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অপকর্মে সামান্য কোনো বাধাও দেয় না মিয়ারমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা সহযোগিতা করে আসছে।

সম্প্রতি পার্বত্য অঞ্চলের পার্শ্ববর্তী পর্যটন জেলা কক্সবাজার এলাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোকে ঘিরে এই অশুভ তৎপরতা আরও বেড়েছে। অপরাধপ্রবণ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের এ অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে মিয়ানমার থেকে এ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবাধে অস্ত্র আনছে। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন দুর্গম এলাকা ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

বাংলাদেশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে, মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ও আরাকান লিবারেশন পার্টির (এএলপি) মতো গ্রুপগুলো বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের কাছে অস্ত্র পাচার করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী এসব সংগঠনের অশুভ তৎপরতা বা যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। এই অরক্ষিত অঞ্চলে বিজিবির টহল ও নিরাপত্তা চৌকি বসানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। একইভাবে এসব অঞ্চলে সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঠেকাতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পার্বত্য অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তায় সহায়তা দানকারী সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতাও বাড়ানো হচ্ছে।

সূত্র জানায়, মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপগুলোর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অরক্ষিত সীমান্ত অথবা সমুদ্রপথে বাংলাদেশে ঢুকে তারা নাশকতা চালাতে পারে- এমন আশঙ্কার মধ্যে সতর্কতামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কাজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে আস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসেবেও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। জানা গেছে, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের ২৮৮ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এ সীমান্ত দুর্গম হওয়ার কারণে অনেক স্থান অরক্ষিত। এদিকে দুই দেশের সীমান্ত-সংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ সড়কে সীমান্তে টহল বাড়ানো যাবে। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে। বসানো হবে নিরাপত্তা চৌকি। বাড়ানো হবে বিজিবির টহল। মিয়ানমার সীমান্ত খুবই অপরাধপ্রবণ। ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সীমান্তে টহল বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে এসব অপরাধ কমে আসবে বলে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন। এদিকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে।

সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ও সেনাপ্রধান একসঙ্গে মিয়ানমার সফর করেছেন। ভারত ও মিয়ানমার বিভিন্ন ইস্যুতে যৌথভাবে কাজও শুরু করছে। ভারতকে এসব বিষয়ে একটা ইতিবাচক দিক হিসেবে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। এ ছাড়া মিয়ানমারের ওপর দিয়ে ভারত, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড ত্রিদেশীয় সড়ক নির্মাণ করছে। সড়কটি ইস্ট ওয়েস্ট করিডরে যুক্ত হয়ে লাওস, ভিয়েতনাম পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করবে। মিয়ানমারের কালাদান নদী মিজোরামকে ভারতের অপর অংশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। ভারত এত কিছু করলেও বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে পারছে না মূলত দেশটির অসহযোগিতার কারণে। কেননা মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো নানা ইস্যু জিইয়ে রাখছে বছরের পর বছর। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যু।
এদিকে সম্প্রতি মিয়ানমার সীমান্তে বেশ কিছু মাইন পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় মনিরুল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হন। জুলাই মাসে বান্দরবান সীমান্তে দুটি তাজা মাইন পাওয়ার পর তা ধ্বংস করা হয়। বাংলাদেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী এসব মাইন পুঁতে রাখছে। কারণ যেসব মাইন উদ্ধার করা হচ্ছে তা অ্যান্টি পারসোনাল। সামরিক বাহিনী ছাড়া এসব মাইন কেউ তৈরি করতে পারবে না।
এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী যতবার বৈঠক করতে চেয়েছে ততবার তারা আসেনি। উল্টো বৈঠক বাতিল করেছে। এ ছাড়া ইয়াবা পাচারে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীরা বাধা দেয় না। এমনিতে রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে ঢুকতে চাইলে তাদের গুলি করা হয়। কিন্তু ইয়াবা পাচারকারী রোহিঙ্গারা ওই দেশের অভ্যন্তরে গিয়ে আবার বিনা বাধায় ফিরে আসে। এদিকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো কোনো সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য ধরা পড়ার পর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে, তারা মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরামে আশ্রয় পেয়ে থাকেন।

সুত্র: বিডি প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs