1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. teknafnews24@gmail.com : tahernaeem :
টেকনাফের ৪ ইউনিয়নের ২৮টি পাহাড়ী খাল সংস্কার এর দাবী এলাকাবাসীর - Teknaf News24
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তের গুলিতে ৬ রোহিঙ্গা নিহত মণ্ডপে কুরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছে’ ইকবাল দৈনিক কক্সবাজার ৭১ কার্যালয়ে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না! বাংলাদেশ কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী-মৌলবাদীর আস্তানা হতে পারে না- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে ৩৯২ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা টেকনাফে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক হস্তান্তর হোয়াইক্যং বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচনে হানিফ সভাপতি,মুর্শেদ সম্পাদক নির্বাচিত আইসের চালান ধরা পড়লে টাকা দিতে হয় না মিয়ানমারে

টেকনাফের ৪ ইউনিয়নের ২৮টি পাহাড়ী খাল সংস্কার এর দাবী এলাকাবাসীর

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩১০ বার পঠিত

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী : টেকনাফের ৪ ইউনিয়নের পাহাড়ী ২৮টি ছড়ায় ও খালে স্লুইচ গেইট নির্মাস করা হলে কয়েক হাজার হেক্টর কৃষি জমি শুস্ক মৌসুমে দ্যুরো চাষের আওতায় আসবে। টেকনাফ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন দপ্তর সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে হোয়াইক্যং, বাহারছড়া, হ্নীলা ও টেকনাফ সদর পাহাড় সংলগ্ন ইউনিয়ন। এ ৪টি ইউনিয়নে ২৮টি পাহাড়ী ছড়া ও খাল রয়েছে। ছড়া ও খালের পাশ্বে কৃষকেরা কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করে থাকে। কৃষকেরা নিজস্ব অর্থায়ানে ছড়া ও খাল বাঁধ নির্মান করে চাষাবাদ করলেও বর্ষা এবং ব্যুরো মৌসূমে মাটির বাধ রক্ষা করতে পারেনা। ফলে লোনা পানি প্রবেশ করে। যদি ছড়া ও খাল সরকারীভাবে স্লুইচ গেইট নির্মান কারা হলে এ চার পাহাড়ী ইউনিয়নের কয়েক হাজার হেক্টর কৃষি জমি ব্যুরো চাষের আওতায় আসবে। মর্মে স্থানীয় কৃষকেরা এ তথ্য জানায়। এতে করে চার ইউনিয়নের খাদ্য সংকট পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন শবজি চাষের সুবিধার্জন করতে পারবে কৃষকেরা। অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফে যে কারণে আবাদকৃত কৃষি জমি কমে যাওয়ার কারণ, যেমন, ইটভাটা, লবন মাঠ, পুকুর হমল করে মৎস্য চাষ, রোহিঙ্গাদের বসতি, এনজিওদের অফিস ও অপরিকল্পিত স্থাপনা। টেকনাফে আবাদকৃত মোট জমির পরিমান ১০ হাজার ৮১৫ হেক্টর এর মধ্যে হোয়াক্যং এ ৬৪৩০ হেক্টর, হ্নীলায় ১১৮৫ হেক্টর, বাহারছড়ায় ১০৬০ হেক্টর, টেকনাফ সদরে ১৩৩০ হেক্টর, সাবরাং এ ৭৪০ হেক্টর, সেন্টমার্টিনে ৬৫ হেক্টর ও টেকনাফ পৌরসভায় ৫ হেক্টর। এ তথ্য টেকনাফ কৃষি অফিস সূত্রে। মেরিন ড্রাইব সড়ক নির্মিত এবং প্রতিবছর দেশী ও পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধির পর টেকনাফ কৃষি আবাদী ও অনাবাদী জমির দাম বৃর্দ্দি পাচ্ছে। সমূদ্র উপকূলবর্তী বাহারছড়া, টেকনাফ সদর, সাবারং ও শাহপরীরদ্বীপ পর্য্যন্ত মেরিন ড্রাইব সড়কের পাশে জায়গা জমির দাম এখন সোনার হরিণে পরিনত। বীচ ম্যানেজমেন্ট এবং সরকারী নিয়মনীতি ছাড়াই মেরিন ড্রাইব সড়ক সৈকত এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্থাপনা। এভাবে আবাদী জমি ক্রমশ গ্রাস হয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক খন্ড বসবাসের জায়গা পাবেনা। যা নিয়ে সচেতন নাগরিকদের ইতোমধ্যে ভাবনা শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ বন বা পাহাড়ে বিত্তহীন পরিবার ও রোহিঙ্গাদের আবাস ভুমিতে পরিনত হচ্ছে। সরকারী খাস জমিতে প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় বিত্তহীন লোকেরা পাহাড়ের দিকে ঝুকে পড়েছে। এ প্রসংগে টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ডঃ ভবসিন্ধু রায় বলেন, আবাদী ও অনাবাদী কৃসি জমিতে ইটভাটা, পুকুর থনন এবং যত্রতত্র স্থানে ভবন ও স্থাপনা নির্মান করা কৃষি আইন বিরোধী এবং এ নিয়ম অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কৃষি জমিতে আশনি সংকেত দেখা দেবে এবং পরিবেশ পরিস্থিতি বসবাস অনুপযোগী হয়ে দাড়াবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs