মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মিয়ানমারে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিদ্রোহীরা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মোস্তাফিজ ও বাবুল মিয়ানমারের গ্যং স্টারের বাংলাদেশি সহযোগি হোয়াইক্যং এর দালালরা অধরায়! সাড়ে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা টেকনাফে প্রবেশের অপেক্ষায়! হ্নীলা উম্মে সালমা মহিলা মাদরাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত আরো ৬৪ জন পালিয়ে এলো মিয়ানমার বিজিপি মিয়ানমারের ৫৮ সীমান্তরক্ষী পালিয়ে বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ! জেলা ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল আজ হোয়াইক্যং লাতুরীখোলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা ভোট বর্জন করে সরকারকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছে জনগণ চরমোনাই পীর
তেলের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পারবে?

তেলের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পারবে?

ইউক্রেনে হামলা করায় রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।

এবার নতুন করে রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ এ নিষেধাজ্ঞা গৃহীত হলে ২০২২ সালের শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো আর রাশিয়ার তেল আমদানি করতে পারবে না।

এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে যেন রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং যুদ্ধ থামিয়ে দেয়৷

কিন্তু রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে কি এ যুদ্ধ থামবে?

যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রফেসর টাইলার কুস্ত্রা জানিয়েছেন, তেলের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি খুব বেশি কাজে দেবে না৷

এ ব্যাপারে প্রফেসর টাইলার কুস্ত্রা বলেন, তেলের নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ও কার্যকর হবে আরও ৬ মাস পর। এরমধ্যে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

এর মাধ্যমে পুতিনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থাৎ রাশিয়ায় অর্থ ঢুকতেই থাকবে৷ ফলে পুতিন এ অর্থ ব্যবহার করে ব্যয়বহুল এ যুদ্ধ অব্যহত রাখতে পারবেন।

তিনি আরও বলেছেন, এ ছয় মাসের মধ্যে তেলের নতুন বাজার ধরার চেস্টা চালাবে রাশিয়া৷ বিশেষ করে এশিয়ায়৷ যেখানে এর ব্যাপক চাহিদা আছে৷

নটিংহ্যামশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রফেসর আরও জানিয়েছেন, রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর নেই৷

রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে তাদের শক্তিশালী রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে৷

প্রফেসর আরও জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তেলসহ আরও নতুন যেসব নিষেধাজ্ঞার কথা বলছে সেগুলো আগের চেয়ে অনেক কঠোর৷

কিন্তু এসব নিষেধাজ্ঞা ১৯৪৫ সালের পর ইউরোপে তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব বা অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে পারবে না৷

সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design By Rana