1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. teknafnews24@gmail.com : tahernaeem :
নওগাঁয় হিজাব বিতর্কে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণ কারাগারে - Teknaf News24
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গণকমিশনের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফের আলোচিত ভুট্টো হত্যা মামলার ৪ আসামি আটক করেছে পুলিশ পুলিশের বিচ্ছিন্ন কবজি জোড়া লাগানো প্রচারবিমুখ এক চিকিৎসকের গল্প অবশেষে ৯৫৯ ইউক্রেনীয় যোদ্ধা রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ বছরে দেশ থেকে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে- জিএম কাদের এমপি ’ মৃত ব্যক্তির আবেদনে গ্রেফতারি পরোয়ানা, ৩২ দিন কারাভোগ এবার স্বায়ত্তশাসিত-আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও বিদেশ সফর বন্ধ! মসজিদের ভিতরে আশ্রয় নিয়েও প্রাণে রক্ষা পেলনা নাজিরপাড়ার ভুট্টো আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যু:৪০ দিনের শোক ঘোষণা :প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ৩দিন সত্য কথা’ বলার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে ধন্যবাদ জানালেন মির্জা ফখরুল

নওগাঁয় হিজাব বিতর্কে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণ কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্ট ::
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ১১০ বার পঠিত

ন‌ওগাঁয় হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মানহানির মামলায় এবার জেলহাজতে পাঠানো হলো বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণকে। আজ রবিবার (১৭ এপ্রিল) নওগাঁ আমলি আদালত-৩ (মহাদেবপুর)-এ হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. তাইজুল ইসলাম জামিনের আবেদন নাকোচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দু’জন হলেন, এক‌ই উপজেলা সদরের বাসিন্দা মৃত কাজী দেলোয়ার হোসেনের ছেলে কিউএম সাঈদ টিটো ও কুশারসেন্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজী ময়েন উদ্দিনের ছেলে কাজী সামছুজ্জোহা মিলন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল বাদী হয়ে থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।ওই রাতে টিটো এবং মিলনকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণ, কিউএম সাঈদ টিটো, কাজী সামছুজ্জোহা মিলন, বিদ্যালয়ের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সুমন ও জেলার পোরশা উপজেলার গহেরপুর গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও আরো অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে ।

নওগাঁয় হিজাব ইস্যুতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৭টি সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ ও সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আমোদিনী পাল হিজাবের কারণে নয়, নির্ধারিত স্কুল ড্রেস না পরার কারণেই শিক্ষার্থীদের মারধর করেছিলেন।

একই দিনে বদিউল আলম নামে আরেক শিক্ষকও মারধর করেছিলেন শিক্ষার্থীদের। অথচ প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করেন। এই ঘটনা তদন্ত কমিটির কাছে উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়েছে। শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। এছাড়া প্রতিবেদনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের প্রহার করায় শিক্ষিকা আমোদিনী পাল ও শিক্ষক বদিউল আলমের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs