মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

পাউবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০, ১.১২ এএম
  • ৬৫৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের ‘মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন’ প্রকল্পে পাম্প কেনায় ৩৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের একটি মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. আবু তালেবকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আজ রবিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ তিন সপ্তাহের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, মামলায় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু তালেব আজ হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।

আজ আদালতে শুনানিতে আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন মিনহাজুজ্জামান লিটন। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন যথাক্রমে এ কে এম ফজলুল হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা।

আলোচিত প্রকল্পের পাম্প কেনায় ৩৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা ক্ষতি করার অভিযোগে গত ২১ অক্টোবর হবিগঞ্জে মামলা করে দুদক। মামলায় পাউবোর প্রধান প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলম, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিগমা ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেডের এমডি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৈয়দ আরশেদ রেজা এবং জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী আব্দুস সালামসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রকৃত দামের চেয়ে বেশি দামে পাম্প কিনেছেন। দুদক অনুসন্ধানে ৮টি পাম্পের প্রকৃত মূল্য পাওয়া যায় ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। অথচ বিল হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সরকার থেকে নিয়েছে ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্য প্রকৃত দামের চেয়ে বেশি দামে পাম্প কিনেছেন।

সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের ঘটনায় দুদকের করা মামলায় বলা হয়, আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রীয় অর্থ লোপাট করে তারা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs