বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

পুনরুদ্ধার করা ভূমিতে ফিরছে আজারবাইজানীরা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০, ১১.০৪ পিএম
  • ৭০৯ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হতে চলেছে। সেই সঙ্গে সমাপ্তি ঘটছে নিজ ভূমিতে ফেরার আজেরিদের ২৮ বছরের অপেক্ষার প্রহর।

বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাগ নিয়ে চলা যুদ্ধে আর্মেনিয়ার দখল থেকে কারাবাখের দ্বিতীয় বৃহত্ততম শহর মুক্ত করেছে আজারবাইজানি সেনাবাহিনী।

১০নভেম্বর রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শান্তি চুক্তি হয়। এরপরই নিজেদের ভূমিতে বাকুর নাগরিকদের ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আপার কারাবাখের শুশা শহরটি ভৌগলিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের স্বীকৃত হলেও এর রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে।

১৯৯২ সালে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে হাজার হাজার আজারবাইজানি তাদের বসিত হারিয়েছিল। সে সময় জাতিগত আর্মেনীয়রা শুশা শহরটি দখল করে নেয়। যদিও চুক্তির পর আর্মেনীয়রা এই শহরটি ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাওয়ার আগে তাদের বসতিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; যাতে আজারবাইজানিরা আগের বাসস্থান ব্যবহার করতে না পারে।

হ্যামলেট মেহেরেমোভ ১৯৯২ সালে শুশা শহরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান। এখন তার নাতি-নাতনি নিয়ে তার পারিবারিক বাসস্থানে ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কাছে, শুশা আজারবাইজানের। তার স্ত্রী সুগায়েত মেদেতোবা বলেন, তিনি কখনোই ফিরে যাওয়ার আশা ছাড়েননি। আমি এমন মুহূর্ত আমার স্বপ্নে বহুবার দেখেছি।

গত কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে আর্মেনীয়ার দখল থেকে প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম মুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে ছয় সপ্তাহের বেশি চলা যুদ্ধ বন্ধে ১০ নভেম্বর আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি হয়। চুক্তির অনুযায়ী নাগোরনো-কারাবাখ ও আর্মেনিয়া-আজারবাইজান করিডোরে দায়িত্ব পালন করবে রাশিয়ান শান্তিরক্ষীরা।

মোট ১৯৬০ রাশিয়ান শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হবে বিরোধীয় অঞ্চলটিতে। পাঁচ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন তারা। এদিকে আজারবাইজানের ভূখণ্ড কারাবাখে নিজেদের সেনা মোতায়েনে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে মোসন উত্থাপন করছে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সরকার। এদিন সংসদে ভোটাভুটিতে পাস হলে এক বছরের জন্য তুর্কি শান্তিরক্ষী মোতায়েন হবে কারাবাখে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs