Logo
শিরোনাম :
শবে কদর কি? তা নিয়ে জরুরি কিছু কথা কোরআন আমাদের পার্থিব শান্তির পাশাপাশি আখিরাতে মুক্তির পথ দেখায় আল-আকসায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে যেসব দেশ পুলিশের এপিসিতে আগুন দেওয়ার মূলহোতা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার টেকনাফের কলেজ ছাত্র তৌকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি টেকনাফে করোনাকালিন সময়ে ১হাজার গরীব পরিবারকে চাল বিতরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ এনামুল হাসান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও জলিলের ব্যাখ্যা মাওলানা মামুনুল হককে আদালতে তোলা হবে আজ, নিরাপত্তা জোরদার খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুলের ফোন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘স্বাধীন এবং মুক্ত’: তথ্যমন্ত্রী

পুনরুদ্ধার করা ভূমিতে ফিরছে আজারবাইজানীরা

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হতে চলেছে। সেই সঙ্গে সমাপ্তি ঘটছে নিজ ভূমিতে ফেরার আজেরিদের ২৮ বছরের অপেক্ষার প্রহর।

বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাগ নিয়ে চলা যুদ্ধে আর্মেনিয়ার দখল থেকে কারাবাখের দ্বিতীয় বৃহত্ততম শহর মুক্ত করেছে আজারবাইজানি সেনাবাহিনী।

১০নভেম্বর রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শান্তি চুক্তি হয়। এরপরই নিজেদের ভূমিতে বাকুর নাগরিকদের ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আপার কারাবাখের শুশা শহরটি ভৌগলিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের স্বীকৃত হলেও এর রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে।

১৯৯২ সালে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে হাজার হাজার আজারবাইজানি তাদের বসিত হারিয়েছিল। সে সময় জাতিগত আর্মেনীয়রা শুশা শহরটি দখল করে নেয়। যদিও চুক্তির পর আর্মেনীয়রা এই শহরটি ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাওয়ার আগে তাদের বসতিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; যাতে আজারবাইজানিরা আগের বাসস্থান ব্যবহার করতে না পারে।

হ্যামলেট মেহেরেমোভ ১৯৯২ সালে শুশা শহরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান। এখন তার নাতি-নাতনি নিয়ে তার পারিবারিক বাসস্থানে ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কাছে, শুশা আজারবাইজানের। তার স্ত্রী সুগায়েত মেদেতোবা বলেন, তিনি কখনোই ফিরে যাওয়ার আশা ছাড়েননি। আমি এমন মুহূর্ত আমার স্বপ্নে বহুবার দেখেছি।

গত কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে আর্মেনীয়ার দখল থেকে প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম মুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে ছয় সপ্তাহের বেশি চলা যুদ্ধ বন্ধে ১০ নভেম্বর আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি হয়। চুক্তির অনুযায়ী নাগোরনো-কারাবাখ ও আর্মেনিয়া-আজারবাইজান করিডোরে দায়িত্ব পালন করবে রাশিয়ান শান্তিরক্ষীরা।

মোট ১৯৬০ রাশিয়ান শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হবে বিরোধীয় অঞ্চলটিতে। পাঁচ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন তারা। এদিকে আজারবাইজানের ভূখণ্ড কারাবাখে নিজেদের সেনা মোতায়েনে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে মোসন উত্থাপন করছে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সরকার। এদিন সংসদে ভোটাভুটিতে পাস হলে এক বছরের জন্য তুর্কি শান্তিরক্ষী মোতায়েন হবে কারাবাখে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Developed By Banglawebs