1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. teknafnews24@gmail.com : tahernaeem :
মৃত ব্যক্তির আবেদনে গ্রেফতারি পরোয়ানা, ৩২ দিন কারাভোগ - Teknaf News24
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্যায় কমছে পানি বাড়ছে দুর্ভোগ পদ্মা সেতু নিয়ে সংসদে যা বললেন এমপি হারুন ১৮ বছর পর শরীয়তপুর-ঢাকা বাস সার্ভিস চালু ইউক্রেনের তিনটি সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা হোয়াইক্যং কুতুবদিয়াপাড়ায় সুমন নামক এনজিও কর্মীর টাকা ও স্বর্ণের আংটি ছিনতাই হোয়াইক্যং মিনাবাজারস্থ টেকপাড়ায় ৭২ পরিবার মুজিববর্ষের ঘর পেলেও নেই যাতায়াতের রাস্তার সুবিধা হোয়াইক্যং এর নয়াপাড়ায় জমির বিরোধ নিয়ে মিজান বাহিনীর হামলা: ৮ নারী পুরুষ আহত ফোর মার্ডারের পূনরাবৃত্তির আশংকা! উখিয়ায় রেমিটেন্স যোদ্ধার বসত ভিটা ও দোকান ঘর জবর দখলের চেষ্টা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, ভারী অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ বুলেট উদ্ধার দুই সপ্তাহের মধ্যে পতন হতে পারে ইসরাইল সরকারের

মৃত ব্যক্তির আবেদনে গ্রেফতারি পরোয়ানা, ৩২ দিন কারাভোগ

ডেস্ক রিপোর্ট ::
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২
  • ১৫৫ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুড়িগ্রাম আদালতে ‘নিষ্পত্তিকৃত’ মামলার বাদীর মৃত্যুর দুই মাস পর তাকে আবেদনকারী দেখিয়ে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের জামিন বাতিলের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতারি পরোয়ানায় এক আসামিকে গ্রেফতারের পর ৩২ দিন কারাভোগের ঘটনাও ঘটেছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বলছেন, মৃত ব্যক্তিকে দিয়ে আপিল মামলায় আবেদন এবং তারই পরিপ্রেক্ষিতে জামিনে থাকা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সাজার অতিরিক্ত কারাভোগ করানো আইনের লঙ্ঘন। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

আবেদনকারী ও মামলার বাদীর নাম হোসেন আলী। তিনি উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণি ইউপির ভদ্রপাড়া গ্রামের মৃত কছর উদ্দিনের ছেলে। ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান বলে পারিবারিক ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে। অথচ মৃত্যুর দুই মাস পর ২০২১ সালের ২১ নভেম্বর তাকে ‘আবেদনকারী’ দেখিয়ে আসামিদের জামিন বাতিলের পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালে উলিপুরের ভদ্রপাড়ায় একটি সরকারি রাস্তা কেটে জনগণের চলাচলের পথ বন্ধ করার অভিযোগে সাত জনের নাম উল্লেখ করে উলিপুর থানায় মামলা করেন হোসেন আলী। মামলার শুনানি শেষে ২০০৫ সালের ৩০ মার্চ মোখলেছুর রহমান নামে এক আসামিকে দোষী সাবস্ত করে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন কুড়িগ্রামের তৎকালীন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমএম শাহ হাবিবুর রহমান হাকিম। সেই সঙ্গে অপর ছয় আসামিকে খালাস দেন বিচারক।

পরবর্তী সময়ে হোসেন আলী রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০০৬ সালের  ১৬ নভেম্বর জেলা জজ আদালতের বিচারক ছয় আসামির খালাসের আদেশ বাতিল করে দণ্ডবিধির ৪৩১ ধারায় সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করেন। একই সঙ্গে তাদের সবাইকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

২০০৭ সালের ১৬ জানুয়ারি আসামিরা আত্মসমর্পণ করে উচ্চ আদালতে আপিলের শর্তে জেলা জজ আদালত থেকে জামিন পান। সেই সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তি করেন বিচারক। এই আদেশের প্রায় ১৪ বছর পর ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী হোসেন আলী মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর দুই মাস পর তাকে আবেদনকারী দেখিয়ে আসামিদের জামিন বাতিল চেয়ে একই আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নাজমুল হোসেন।

আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর মমিনুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তিনি ৩২ দিন কারাভোগের পর ২০২২ সালের ২৩ জানুয়ারি জামিনে মুক্তি পান।

মমিনুল ইসলামের দাবি, তার সাজা এক মাস হলেও তাকে ৩২ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। মৃত ব্যক্তি কীভাবে আদালতে আবেদন করেছেন তা আমি জানি না।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ও সাবেক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘এই মামলায় প্রথমত আপিলকারী রাষ্ট্রপক্ষ না হয়ে বাদীকে আপিলকারী ও আবেদনকারী করায় আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। তার ওপর মৃত ব্যক্তিকে আবেদনকারী করায় আইনের চরম লঙ্ঘন হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে জজ আদালত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়ার কথা। এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আবার আসামিকে তার প্রাপ্য সাজার চেয়ে বেশি কারাভোগ করতে হয়েছে। সব ক্ষেত্রে আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মে) এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি আমরা আদালতের নজরে আনবো।

আসামিপক্ষের আইনজীবীর এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নাজমুল হোসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষই আপিলকারী। আসামিপক্ষের আইনজীবীর অবজারভেশন তিনি কোর্টে উপস্থাপন করুক,

আমার অবজারভেশন আমি কোর্টে উপস্থাপন করবো।

হোসেন আলীর মৃত্যুর দুই মাস পর তাকে আবেদনকারী করা আইনসিদ্ধ হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর বলেন, ‘নথি দেখতে হবে। নথি দেখে তারপর বলতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs