শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ভারতে এখন কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২, ১২.৪৬ এএম
  • ৩১২ বার পঠিত

টেকনাফ নিউজ২৪ ডেস্ক:

ভারতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনটি প্রথম চালু হয় ১৮৭০ সালে। স্বাধীন হওয়ার ৭৫ বছর পরও বিতর্কিত আইনটি চালু আছে সেখানে। বুধবার (১১ মে) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এই আইন খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন। যতদিন পর্যন্ত আইনের পর্যালোচনা চলবে, ততদিন নতুন করে কাউকে এই আইন প্রয়োগ করে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয় যারা এই আইনে করা মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছেন, তারা জামিনের আবেদন করতে পারবেন। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাও এখন স্থগিত থাকবে। নতুন করে এই আইনে কাউকে গ্রেফতার করা হলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবেন।

দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, ৮০০টি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা রয়েছে এসব মামলায় ১৩ হাজার লোক জেলে আছেন।

ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য বলছে, ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলার সংখ্যা ১৬০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৯ সালে ৯৬ জনকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, তার মধ্যে দুইজনের শাস্তি হয়েছে। গ্রেফতার ৯৬ জনের মধ্যে ৫৫ জনের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।  ওই বছর কর্ণাটকে সবচেয়ে বেশি মানুষকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তালিকায় এর পরে আসাম, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর প্রদেশ।

ব্রিটিশ ভারতে ১৮৬২ সালে দণ্ডবিধি চালু হয়। তখন সেখানে রাষ্ট্রদ্রোহ নিয়ে কোনো সেকশন চালু ছিল না। ১৮৭০ সালে ধারাটি যুক্ত হয়। বালগঙ্গাধর তিলককে প্রথম এই ধারা অনুসারে গ্রেফতার করা হয়। পরে মহাত্মা গান্ধীকেও ইয়ং ইন্ডিয়ার লেখার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এই আইনের আ্ওতায় বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেফতার ও জেলে পাঠানো যায়। ১৯৬২ সালে কেদারনাথ মামলায় দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এই আইনকে সাংবিধানিক ঘোষণা করে জানায়, সরকারের সমালোচনা করা হলে, তাকে কোনোভাবেই দেশদ্রোহ বলা যাবে না। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গতবছর প্রশ্ন তোলে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কি এই আইনের প্রয়োজন আছে? তারা জানায়, সরকার পুরনো প্রচুর আইনকে বাতিল করেছে। তাহলে এই আইনের পর্যালোচনা কেন করা হবে না?

কেন্দ্রীয় সরকারের আবেদন ছিল, রাষ্ট্রদ্রোহের যেসব মামলা চলছে, সেগুলোকে থামিয়ে দেওয়া উচিত হবে না। কারণ, এর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ, টাকা নয়ছয় ও অর্থ বিদেশে পাঠানোর ঘটনা জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু সরকারের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, যতদিন তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন, আইন পর্যালোচনা করবেন, ততদিন এই আইন প্রয়োগ করে কোনো নতুন করে মামলা হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs