Logo
শিরোনাম :
শবে কদর কি? তা নিয়ে জরুরি কিছু কথা কোরআন আমাদের পার্থিব শান্তির পাশাপাশি আখিরাতে মুক্তির পথ দেখায় আল-আকসায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে যেসব দেশ পুলিশের এপিসিতে আগুন দেওয়ার মূলহোতা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার টেকনাফের কলেজ ছাত্র তৌকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি টেকনাফে করোনাকালিন সময়ে ১হাজার গরীব পরিবারকে চাল বিতরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ এনামুল হাসান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও জলিলের ব্যাখ্যা মাওলানা মামুনুল হককে আদালতে তোলা হবে আজ, নিরাপত্তা জোরদার খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুলের ফোন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘স্বাধীন এবং মুক্ত’: তথ্যমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ২১ বাস যাচ্ছে ভাসানচরের দিকে: ৩৪ক্যাম্প থেকেই ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গারা

দ্বিতীয় দফায় স্বেচ্ছায় আরো এক হাজার রোহিঙ্গা পরিবার ভাসানচর যাচ্ছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ এলাকা থেকে ২১ টি বাসে চড়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা করেছেন তারা। প্রতিটি বাসে মোট ৩০ জন করে রয়েছেন। এছাড়াও এই গাড়ি বহরে পুলিশের একটি গাড়ি এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।
এর আগে রোববার বিকেলে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যেতে উখিয়া কলেজ মাঠে অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্টে রাখা হয়। মূল ক্যাম্প ছাড়াও ৩৪টি ক্যাম্প থেকেই ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গারা গতকাল বিকেল ৪টা থেকেই ট্রানজিট পয়েন্টে আসতে শুরু করে। আজ সকালেও অনেকে এসে যোগ দেন।

গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ রোহিঙ্গা ভাসানচরে গেছে। এর আগে মালয়েশিয়া যেতে গিয়ে সমুদ্র উপকূলে আটক আরও তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।

টেকনাফ নয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালংয়ের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ক্যাম্পের মাঝিরা দেশ রূপান্তরকে বলেন, গতবারের উল্টো এবারের চিত্র। ওই সময় রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিতে অনেক বোঝাতে হয়েছে। কিন্তু ২০ দিনের মধ্যে চিত্র পাল্টেছে। এবার রোহিঙ্গারা ভাসানচরে যেতে নিজেরাই তালিকায় নাম লিখিয়েছে। ভাসানচরে ৪ ডিসেম্বর যাদের আত্মীয়স্বজন গেছে, তাদের কাছে সুযোগ-সুবিধার খবর শুনেই অনেকেই যেতে উদগ্রীব। গতবার যখন জোর করে গোপনে বিভিন্ন অপপ্রচার থেকে লুকিয়ে তাদের ট্রানজিট ক্যাম্পে আনা হয়েছিল, এবার সেরকম নয়। বিকেলে অনেকেই প্রথম ট্রিপের যাত্রী হতে ক্যাম্পে এসে পড়েছে।                                                                                                                                                       জানা যায়, উখিয়া ও টেকনাফের তালিকাভুক্ত ক্যাম্প ছাড়া বাকি সব ক্যাম্প থেকেই যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং-১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮ ডব্লিউ ক্যাম্প থেকে যাচ্ছে অনেক রোহিঙ্গা পরিবার। উখিয়ার কুতুপালং-৪ নম্বর ক্যাম্প থেকে ২৭ পরিবার যাবে। কুতুপালং-২ ডব্লিউ থেকে যাবে ২৪ পরিবার।

উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের (ইস্ট) মাঝি বলেন, আমার ব্লক থেকে কয়েকটি পরিবার ভাসানচরে যাচ্ছে। তাদের কাউকে জোর করা হয়নি।একই ক্যাম্পের সাবেক মাঝি নুর মোহাম্মদ বলেন, এ ক্যাম্প থেকে আবদুস সালাম ও আবুল হাশেম মাঝির পরিবারসহ বেশকিছু ঘর নোয়াখালীর ভাসানচরে যাবে। প্রথম দফায় যারা গেছে, তাদের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধার খবর জেনেই নতুন করে অনেকেই যেতে আগ্রহী হয়েছে।রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় দফা ভাসানচর যাত্রা নিয়ে উখিয়ার ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভাসানচরের পথে চট্টগ্রাম থেকে চূড়ান্ত ভাবে জাহাজে না উঠা পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের যাত্রা নিয়ে কোনো কথা না বলা যাবে না। প্রথমবার যেভাবে সময়মতো গণমাধ্যমকে সবকিছু জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, পরবর্তী ধাপেও একইভাবে জানানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Developed By Banglawebs