1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. teknafnews24@gmail.com : tahernaeem :
শহরে টেকনাফ,উখিয়া ও কক্সবাজারের কারবারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট! - Teknaf News24
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তের গুলিতে ৬ রোহিঙ্গা নিহত মণ্ডপে কুরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছে’ ইকবাল দৈনিক কক্সবাজার ৭১ কার্যালয়ে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না! বাংলাদেশ কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী-মৌলবাদীর আস্তানা হতে পারে না- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে ৩৯২ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা টেকনাফে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক হস্তান্তর হোয়াইক্যং বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচনে হানিফ সভাপতি,মুর্শেদ সম্পাদক নির্বাচিত আইসের চালান ধরা পড়লে টাকা দিতে হয় না মিয়ানমারে

শহরে টেকনাফ,উখিয়া ও কক্সবাজারের কারবারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৪১ বার পঠিত
কক্সবাজারের ফিশারীঘাট সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গড়ে তুলেছে ইয়াবার ডিপো                                                                                                   শহরে টেকনাফ,উখিয়া ও কক্সবাজারের কারবারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট!
মুহাম্মদ তাহের নঈম:
দেশজুড়ে ইয়াবার কারবার যেন মহামামারি আকার ধারণ করেছে। একের পর এক মাদক বিরোধী অভিযানের পরেও কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছেনা ইয়াবার চালান। আইনশৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক অভিযানের মাঝে ও পাচার হচ্ছে ইয়াবা। এক অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করার পর টেকনাফ থেকে পালিয়ে আসা শতাধিক তালিকাভূক্ত মাদককারবারী কক্সবাজারে আলীশান জীবন যাবন করছে। মাদককারবারীরা কেউ নেতা পরিচয়ে,কেউ মানবাধিকারের সনদধারী পরিচয় নিয়ে,কেউ ব্যবসার নামে ছদ্মবেশে কক্সবাজারে বসবাস করছে। শহরের বাসটার্মিনাল এলাকা,হাজী পাড়া,কালুরদোকান,তারাবনিয়াছড়া,আলিরজাহাল,নুনিয়াছড়া, ৬ নং ফিশারীঘাট,কলাতলী সহ প্রায় ২০টি পয়েন্টে টেকনাফের বড় বড় কারবারী ভিআইপি বাসা নিয়ে,অনেকে ফ্লাট ক্রয় করে সপরিবারে বসবাস করছে। তম্মধ্যে বেশ কয়েকজন পরিচয় গোপন করে ফিশিংট্রলার ক্রয় করেছে কক্সবাজারের মাদককারবারীদের সাথে যৌথ পার্টনার হিসাবে। কক্সবাজারের ফিশারীঘাট সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় তারা ইয়াবার ডিপো বানিয়েছে। তাদের সাথে নুনিয়ারছড়া ও চৌফলদন্ডী ঘাটে খালাস করা ইয়াবার যোগসাজ রয়েছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল একাধিক মহল। টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, নাজিরপাড়া, টেকনাফ সদর,হ্নীলা রঙ্গিখালী,লেদা আলীখালী, হোয়াইক্যং এর খারাংখালী মহেশখালিয়া পাড়া,সাতঘরিয়াপাড়া,নয়াবাজার,নয়াপাড়ার,উখিয়ার ফালংখালী,থাইংখালী,বালুখালী,বেতবুনিয়া, উখিয়া জালিয়া পালং,হলদিয়াপালং এর অনেক তালিকাভুক্ত মাদককারবারী কক্সবাজারে ভিআইপি জিন্দেগী করছে। মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকা এসব অসাধু ব্যাক্তিরা কক্সবাজার কে নিরাপদ জোন হিসাবে বেচে নিয়ে পুরোদমে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রে প্রকাশ, টেকনাফ থেকে মাদক বা ইয়াবা সরবরাহ করা,পাচার করা কঠিন। প্রায় আধা ডজন আইনশৃংখলা বাহিনীর চেক পয়েন্ট ক্রস করার চেয়ে কক্সবাজার থেকে মাল সংগ্রহ করা,আদান প্রদান,খালাস করা অনেক টা সহজ! এ সুযোগ কাজে লাগাতে ইয়াবা কারবারীরা কৌশল পরিবর্তন করে কক্সবাজারের,খারুস্কুল, চৌফলদন্ডী ব্রীজঘাট, মহেশখালী জেটিঘাট ব্যবহার করছে। ঝুঁকি কমাতে টেকনাফ,উখিয়ার কারবারীরা কক্সবাজারের কারবারীদের সাথে মাদকের শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে। তাদের দেখবাল করার জন্য সুরক্ষা ও ঢাল স্বরূপ কয়েকজন পৌর কাউন্সিলর, কক্সবাজারের বড় মাপের কয়েকজন নেতা কে বশে রেখেছে। গত ৯ ফেব্রয়ারী কক্সবাজারের ইতিহাসে আটককৃত বড় মাপের চালানের সাথে তাদের হাত না থাকার বিষয় উড়িয়ে দেয়ার মত নয়।
উক্ত যৌথ সিন্ডিকেট কৌশল পরিবর্তন করে ফিশিং বোট এর মাধ্যমে কক্সবাজারের খারুস্কুল, চৌফলদন্ডী ব্রীজঘাট, মহেশখালী জেটিঘাট, ৬ নং ফিশারীঘাট ব্যবহার করছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। ইয়াবার চালান বহনের জন্য তাদের নিজস্ব ফিশিং বোট রয়েছে অনেক। এসব ফিশিং বোট ব্যবহার করে মিয়ানমারের আকিয়াব ও মংডু থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে সাগরপথে ইয়াবার চালান এনে নুনিয়ারছড়া ও চৌফলদন্ডী ঘাটে খালাস করে। পরে সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে উক্ত সিন্ডিকেট। ফারুক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত কে বা কারা? তা গভীরে তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান দৈনিক কক্সবাজার ৭১ কে জানান, আমি যোগদানের পরপরই মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু সামাজিকভাবে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে না তুলতে পারলে কোনো ভাবেই মাদকের করাল গ্রাসকে রুখে দেয়া সম্ভব নয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অবস্থান হবে জিরো ট্রলারেন্স। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন,যত বড় মাপের কারবারী হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ তা নিয়ে কাজ করছে।#

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs