বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

শহরে টেকনাফ,উখিয়া ও কক্সবাজারের কারবারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট!

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১১.৫৪ পিএম
  • ৯৩৫ বার পঠিত
কক্সবাজারের ফিশারীঘাট সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গড়ে তুলেছে ইয়াবার ডিপো                                                                                                   শহরে টেকনাফ,উখিয়া ও কক্সবাজারের কারবারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট!
মুহাম্মদ তাহের নঈম:
দেশজুড়ে ইয়াবার কারবার যেন মহামামারি আকার ধারণ করেছে। একের পর এক মাদক বিরোধী অভিযানের পরেও কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছেনা ইয়াবার চালান। আইনশৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক অভিযানের মাঝে ও পাচার হচ্ছে ইয়াবা। এক অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করার পর টেকনাফ থেকে পালিয়ে আসা শতাধিক তালিকাভূক্ত মাদককারবারী কক্সবাজারে আলীশান জীবন যাবন করছে। মাদককারবারীরা কেউ নেতা পরিচয়ে,কেউ মানবাধিকারের সনদধারী পরিচয় নিয়ে,কেউ ব্যবসার নামে ছদ্মবেশে কক্সবাজারে বসবাস করছে। শহরের বাসটার্মিনাল এলাকা,হাজী পাড়া,কালুরদোকান,তারাবনিয়াছড়া,আলিরজাহাল,নুনিয়াছড়া, ৬ নং ফিশারীঘাট,কলাতলী সহ প্রায় ২০টি পয়েন্টে টেকনাফের বড় বড় কারবারী ভিআইপি বাসা নিয়ে,অনেকে ফ্লাট ক্রয় করে সপরিবারে বসবাস করছে। তম্মধ্যে বেশ কয়েকজন পরিচয় গোপন করে ফিশিংট্রলার ক্রয় করেছে কক্সবাজারের মাদককারবারীদের সাথে যৌথ পার্টনার হিসাবে। কক্সবাজারের ফিশারীঘাট সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় তারা ইয়াবার ডিপো বানিয়েছে। তাদের সাথে নুনিয়ারছড়া ও চৌফলদন্ডী ঘাটে খালাস করা ইয়াবার যোগসাজ রয়েছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল একাধিক মহল। টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, নাজিরপাড়া, টেকনাফ সদর,হ্নীলা রঙ্গিখালী,লেদা আলীখালী, হোয়াইক্যং এর খারাংখালী মহেশখালিয়া পাড়া,সাতঘরিয়াপাড়া,নয়াবাজার,নয়াপাড়ার,উখিয়ার ফালংখালী,থাইংখালী,বালুখালী,বেতবুনিয়া, উখিয়া জালিয়া পালং,হলদিয়াপালং এর অনেক তালিকাভুক্ত মাদককারবারী কক্সবাজারে ভিআইপি জিন্দেগী করছে। মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকা এসব অসাধু ব্যাক্তিরা কক্সবাজার কে নিরাপদ জোন হিসাবে বেচে নিয়ে পুরোদমে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রে প্রকাশ, টেকনাফ থেকে মাদক বা ইয়াবা সরবরাহ করা,পাচার করা কঠিন। প্রায় আধা ডজন আইনশৃংখলা বাহিনীর চেক পয়েন্ট ক্রস করার চেয়ে কক্সবাজার থেকে মাল সংগ্রহ করা,আদান প্রদান,খালাস করা অনেক টা সহজ! এ সুযোগ কাজে লাগাতে ইয়াবা কারবারীরা কৌশল পরিবর্তন করে কক্সবাজারের,খারুস্কুল, চৌফলদন্ডী ব্রীজঘাট, মহেশখালী জেটিঘাট ব্যবহার করছে। ঝুঁকি কমাতে টেকনাফ,উখিয়ার কারবারীরা কক্সবাজারের কারবারীদের সাথে মাদকের শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে। তাদের দেখবাল করার জন্য সুরক্ষা ও ঢাল স্বরূপ কয়েকজন পৌর কাউন্সিলর, কক্সবাজারের বড় মাপের কয়েকজন নেতা কে বশে রেখেছে। গত ৯ ফেব্রয়ারী কক্সবাজারের ইতিহাসে আটককৃত বড় মাপের চালানের সাথে তাদের হাত না থাকার বিষয় উড়িয়ে দেয়ার মত নয়।
উক্ত যৌথ সিন্ডিকেট কৌশল পরিবর্তন করে ফিশিং বোট এর মাধ্যমে কক্সবাজারের খারুস্কুল, চৌফলদন্ডী ব্রীজঘাট, মহেশখালী জেটিঘাট, ৬ নং ফিশারীঘাট ব্যবহার করছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। ইয়াবার চালান বহনের জন্য তাদের নিজস্ব ফিশিং বোট রয়েছে অনেক। এসব ফিশিং বোট ব্যবহার করে মিয়ানমারের আকিয়াব ও মংডু থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে সাগরপথে ইয়াবার চালান এনে নুনিয়ারছড়া ও চৌফলদন্ডী ঘাটে খালাস করে। পরে সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে উক্ত সিন্ডিকেট। ফারুক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত কে বা কারা? তা গভীরে তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান দৈনিক কক্সবাজার ৭১ কে জানান, আমি যোগদানের পরপরই মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু সামাজিকভাবে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে না তুলতে পারলে কোনো ভাবেই মাদকের করাল গ্রাসকে রুখে দেয়া সম্ভব নয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অবস্থান হবে জিরো ট্রলারেন্স। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন,যত বড় মাপের কারবারী হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ তা নিয়ে কাজ করছে।#

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs