শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাজীদের জন্য মক্কায় নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম হোটেল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে দাপটে জয়ে ফাইনালে পাকিস্তান ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় জলপাই জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন না হলে ১৫০ আসনে ইভিএম যন্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব নয় সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরণের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর ট্রানজিট সেন্টারে দুর্বৃত্তের গুলিঃ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন সাইফুল এইচএসসির প্রশ্নে ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’! মন্ত্রী বললেন ‘দুঃখজনক নতুন পোশাকে মাঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বাহিনী টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধরের ঘটনায় আত্মহত্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন ও জেলা পুলিশের ’রুট আউট’ অভিযানে গ্রেফতার ৪১

স্ত্রী নির্যাতনের দায়ে পুলিশ কনস্টেবল প্রত্যাহার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১.২৮ পিএম
  • ৩৯৭ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক::

স্ত্রী মনিকা খাতুনকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল আবু সাঈদকে তার কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার মনিকা বর্তমানে পিতার বাড়িতে অবস্থান করছেন। কনস্টেবল আবু সাঈদকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

মনিকার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে দামুড়হুদা উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে পুলিশের কনস্টেবল আবু সাঈদের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে মনিকা খাতুনের। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে স্ত্রীকে মারধর করতেন আবু সাঈদ।

গত শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ফেসবুকে মেসেঞ্জারে অন্য ছেলের সঙ্গে কথা বলে- এমন অভিযোগ তুলে মনিকা খাতুনকে বেধড়ক মারপিট করে চিকিৎসা না করিয়ে ভাড়া বাসায় আটকে রাখে তার স্বামী। খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের সহায়তা নিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে কনস্টেবল আবু সাঈদকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্টে কনস্টেবল দোষী হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আশরাফুল আলম বলেন, গৃহবধূর দুই হাত, পা ও শরীরের বেশ কয়েক জায়গায় শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। সেসব জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে গেছে। চিকিৎসা শেষে তাকে হাসপাতালে থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল আবু সাঈদ বলেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য একটি ছেলের অবৈধ সম্পর্ক আছে। ফেসবুকে মেসেঞ্জারে তারা কথা বলে। এসব দেখে মাথা ঠিক রাখতে পারিনি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

banglawebs999991
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs