মঙ্গলবার, ১৮ Jun ২০২৪, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

হোয়াইক্যংয়ের উনছিপ্রাং এ সম্পত্তির লোভে নিজ পিতা’কে বেধড়ক মারধর!

হোয়াইক্যংয়ের উনছিপ্রাং এ সম্পত্তির লোভে নিজ পিতা’কে বেধড়ক মারধর!

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সম্পত্তির লোভে নিজ পিতা’কে বেধড়ক মারধর!

টেকনাফ প্রতিনিধি::টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে নিজ পুত্র কর্তৃক পিতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, আমির হোসেন পেশায় একজন কৃষক। সে উনছিপ্রাংয়ের স্থায়ী বাসিন্দা। আমির হোসেন(৭০)বয়োবৃদ্ধ হওয়াতে তার পুত্ররা পিতার সম্পত্তি আত্মাসাৎ করতে মরিয়া হয়ে উঠে। পিতার উপর একে একে চার বার হামলা করে ছেলে ফরিদ আলম(৩২) জাহেদ আলম (২৫)। তারা নিয়মিত পিতাকে শারিরীক ও মানসিক ভাবে নির্যাতনের পাশাপাশি কয়েকদফা মারধর করে বলে জানান স্বয়ং পিতা আমির হোসেন।

৩১শে জুলাই সোমবার দুপুর ১.৩০ মিনিটের দিকে হোয়াইক্যং উনছিপ্রাং আমির হোসেন এর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

ভোক্তাভোগী আমির হোছেন(৭০) বলেন,আমার ছেলে ফরিদ আলম,জাহেদ আলম দীর্ঘ দিন ধরে আমার ভিটেবাড়ী সম্পত্তি জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া চেষ্টা করে। তাদের কথায় রাজি না হওয়াতে আমাকে বেধড়ক মারধর করে এবং বাড়ির একটি রুমে আটকে রেখে জোরপূর্বক লিখিত স্টাম্পে টিপসই নিতে দীর্ঘ দেড় ঘন্টা মারধর ও টিপসই নিতে চেষ্টা চালায়। পরে আমি চিৎকার দিলে স্থানীয় আশেপাশের লোকজন এবং আমার মেয়ে’দের কে খবর দিলে তারা দ্রুত আমার বাড়িতে আসলে প্রথমে তাদের ঢুকতে দেয় নাই। তখন তারা নিরূপায় হয়ে আমার মেয়ে’রা তাদের স্বামীদের ফোন করে পরে রমজান আলী,নবি হোসেন তারা সরেজমিনে আসলে রুমের ভিতর থেকে আমার চিৎকার শুনতে পায়।
এরপর আমার মেয়ে জামাইরা আমার ছেলেদের কে লোভ লালসা দেখিয়ে অনেক প্রচেষ্টার পর আমাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ছেলে’দের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় আমার মেয়ে’র জামাই রমজান আলী এবং নবি হোসেন এর বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকা লোটপাঠ করে নিয়ে যায় বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন রমজান আলীর শশুর আমির হোসেন।

তার জামাতা রমজান আলী বলেন,আমার স্ত্রী আমাকে ফোন করে খবর দেয় যে, আমার বাবা কে ভাই জাহেদ আলম,ফরিদ আলম বাড়ির একটি রুমে আটকে রেখেছে বেদম প্রহার করছে। আমি এই খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে আমাকে ফরিদ আলম এর শালা সাদ্দাম হোসেন দা কিরিচ দিয়ে ধাওয়া করলে আমি তাকে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে দা টা আমার নিয়ন্ত্রণে আনলাম। পরে তাদের হাতে থাকা উক্ত দা আমার হাতে নিয়ে নি।বাড়ির গেইটে গিয়ে ফরিদ আলম এবং জাহেদ আলম কে মিমাংসার কথা দিয়ে আমার শাশুড়কে তালাবদ্ধ একটি রুম থেকে উদ্ধার করি। এ সত্য ঘটনাটি পরে তারা আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠুতদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার চাই।

হোয়াইক্যং ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার রশিদ আহমেদ মেম্বার বলেন,উনছিপ্রাংয়ে স্থানীয় আমির হোসেন কে তার ছেলে’রা মারধর করে বলে স্থানীয়দের কাজ থেকে শুনেছি, কিন্তু এব্যাপারে আমাকে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design By Rana