বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

হোয়াইক্যং মিনাবাজারস্থ টেকপাড়ায় ৭২ পরিবার মুজিববর্ষের ঘর পেলেও নেই যাতায়াতের রাস্তার সুবিধা

হোয়াইক্যং মিনাবাজারস্থ টেকপাড়ায় ৭২ পরিবার মুজিববর্ষের ঘর পেলেও নেই যাতায়াতের রাস্তার সুবিধা

হোয়াইক্যং মিনাবাজারস্থ টেকপাড়ায় ৭২ পরিবার মুজিববর্ষের ঘর পেলেও নেই যাতায়াতের রাস্তার সুবিধা
মুহাম্মদ তাহের নঈম:
টেকনাফের ১ নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের মিনাবাজারস্থ টেকপাড়ায় ৭২ টি পরিবার মুজিববর্ষের ঘর পেলেও নেই যাতায়াতের রাস্তার সুবিধা। উক্ত সড়কে কাঁচা মাটি দিয়ে দায়সারাভাবে সংস্কার কাজ করায় উপকারভোগীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের হাচইন্নার টেক থেকে মুজিব বর্ষের ঘর কাছাকাছি সড়ক এইচবিবির আওতায় আসলেও প্রায় ৩ চেইন রাস্তা চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী। উপকারভোগী পরিবারের সন্তানরা স্কুল,মাদরাসায় বা হাঁটবাজারে যাতায়তেও দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।
জানা যায়,
মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের মতো টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের টেকপাড়ায় প্রথম পর্যায়ে ভূমি ও গৃহহীন ৭২টি পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তর করে উপজেলা প্রশাসন।
হোয়াইক্যং ইউপির মিনাবাজারে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে নির্মিত ৭২টি বাড়ির উঠান,যাতায়াতের রাস্তা বর্ষার পানিতে এখন কাঁদামাটি ছাড়া কিছুই নেই ।

সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ির চার পাশে পানি থই থই করায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপকারভোগী সদস্যরা।
মুজিববর্ষের প্রাপ্ত ঘরের সুবিধাভোগী শমসুল আলম,আব্দুল্লাহ,ওয়াজেদ,মরিয়ম খাতুন,রাবেয়া খাতুন জানায়, তাদের কোনো জমি-জমা নেই।প্রধানমন্ত্রী তাদের কে ঘর করে দিয়েছেন এজন্য আমরা চির কৃতজ্ঞ। কিন্তু প্রশাসনের লোকজন এমন এক জায়গায় ঘর তৈরি করে দিয়েছেন যেখানে আমাদের নিরাপত্তা নেই,নাগরিক সুবিধা নেই। অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে এবং বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।

তাদের মতে, যাতায়াতের জন্য রাস্তার তো বেহাল দশা । এক ঘর থেকে আরেক ঘরে চলাচলের জন্য একমাত্র সরু গলিটিও বর্ষার পানিতে ডুবে থাকে ।
ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের আশ্রয়ের জন্য তৃতীয় ধাপে আরও ঘর নির্মাণ করছে সরকার।
জানা গেছে, মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনাবাজারে ১ম ধাপে ৭২টি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ করে উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করে।
রঙিন টিনশেডের সেমিপাকা ঘরগুলো গৃহহীন ও ভূমিহীনদের প্রতিটি ঘরে থাকছে ২টি কক্ষ, ১টি রান্নাঘর, ১টি টয়লেট ও বারান্দা। এ অসহায় গৃহহীন মানুষের কাজ কর্ম নেই,অভাবে দিনকাটছে বলেও জানান তারা।
এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কায়সার খসরু বলেন,
এই অর্থ বছরের বরাদ্দ প্রায় শেষ। জুলাই মাসে নতুন বাজেট থেকে রাস্তা সহ সংস্কার কাজ করবো। এ ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা ও নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design By Rana