শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
টেকনাফে ৫ সন্তানের জননীকে মারধর, পরে আত্মহত্যা। বিভিন্ন নারীদের সাথে পরকিয়ার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
হারুন সিকদার টেকনাফ।
কক্সবাজারের টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে এক দম্পতির মধ্যে কলহ ও ঝগড়া চলে আসছিল।
সর্বশেষ গত বুধবার ঝগড়ার জের ধরে প্রচন্ড মারধর করেছে পাষাণ স্বামী মো. আলম।
এরই প্রেক্ষিতে নির্যাতিতা স্ত্রী ছমুদা বেগম (৩২) দিন দুপুরে আত্মহত্যা করেছে।
অনেকের ধারনা তাকে হত্যা করা হয়েছে।
৫ নভেম্বর সকাল ৯ টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকায় দরজা জানালা বন্ধ করে আত্মহত্যা করা ওই নারীটি।
তিনি স্থানীয় মোঃ আলমের স্ত্রী ও মৃত হাকিম আলীর কন্যা।
তাদের সংসারে ৫ ছেলে মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয় ও সমাজ সূত্রে জানা গেছে, স্বামী মোহাম্মদ আলম বিভিন্ন নারীদের সাথে পরকিয়ায় লিপ্ত ছিল সে সূত্র ধরে তাদের সংসারে দীর্ঘদিন কলহ চলে আসছে।
ছমুদা বেগম পরকীয়া বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে।
এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ করেছিল সমাজের লোকজন।
তারপরেও তাদের সমাধান করা যায়নি।
পাশের বাড়ির এক মহিলা জানিয়েছেন গত ৩ দিন আগেও ছমুদা বেগমকে বেধড়ক মারধর করে স্বামী মোঃ আলম তার ক্ষত এখনো শুকায়নি এরই প্রেক্ষিতে আত্মহত্যা করেছে।
আবার অনেকে ধারনা করছেন তাকে হত্যা করা হয়েছে।
লম্বাবিল দক্ষিণ মাথা সমাজের সদস্য মোস্তাক আহমদ জানান,
দীর্ঘ দিন ধরে স্ত্রী ছমুদাকে নির্যাতন করে আসছে তার স্বামী মো. আলম।
এ নিয়ে অনেকবার সালিশও করা হয়।
কিন্তু নির্যাতন কমেনি।
এর মধ্যে আত্মহত্যা নাকি হত্যা করেছে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের ভাই মো. ইয়াছিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বোন ছমুদা বেগমকে নির্যাতন করে আসছে।
আজকের এই ঘটনাও রহস্যজনক।
এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং পুলিশের দায়িত্ব প্রাপ্ত এস আই রোকন উজ্জামান জানিয়েছেন সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষেই জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
Leave a Reply