শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি-ছিনতাই, প্রকাশ্য হত্যা ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। এ অবস্থায় সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ১৬ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ফয়সল হাসান।
রোববার (২ মার্চ) এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কোর কমিটিরও বৈঠক হয়েছে। যেখানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) নেতৃত্বে বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
ফয়সল হাসান জানান, চিহ্নিত অপরাধী, সন্ত্রাসী এবং মাদক ও চোরাকারবারিদের ধরতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে বিশেষ অপারেশন শুরু হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল বাড়ানো ও দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ, সিভিল প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও পাবলিক প্রসিকিউটরদের অংশগ্রহণে সারা দেশে ‘দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার ও পরিবেশের ওপর গুরুত্বসহ আইন প্রয়োগ’ বিষয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, উপ-পুলিশ কমিশনার, সেনাবাহিনীর মাঠে নিয়োজিত ব্রিগেড প্রধান এবং অন্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে নিয়মিত গণমাধ্যমকে জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি, চেকপোস্ট ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহলসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী টার্গেটেড এলাকাগুলোতে অপারেশন পরিচালনা করছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিয়মিত পেট্রলের পাশাপাশি নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের অতিরিক্ত পেট্রল নিয়োজিত করা হয়েছে। ছিনতাইকারী, ডাকাত, কিশোর গ্যাং ও অন্য অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে কম্বাইন্ড অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। থানাভিত্তিক সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply