Logo
শিরোনাম :
জালিয়া পাড়ায় নিজ তহবিল থেকে ঈদ উপহার দিলেন পৌর সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুস শুক্কুর সিআইপি হোয়াইক্যংয়ের উনছিপ্রাংএ ভিটেবাড়ির সীমানা নিয়ে সংঘর্ষ : ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে ৮জনকে কুপিয়ে মারাত্বক জখম! শবে কদর কি? তা নিয়ে জরুরি কিছু কথা কোরআন আমাদের পার্থিব শান্তির পাশাপাশি আখিরাতে মুক্তির পথ দেখায় আল-আকসায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে যেসব দেশ পুলিশের এপিসিতে আগুন দেওয়ার মূলহোতা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার টেকনাফের কলেজ ছাত্র তৌকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি টেকনাফে করোনাকালিন সময়ে ১হাজার গরীব পরিবারকে চাল বিতরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ এনামুল হাসান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও জলিলের ব্যাখ্যা মাওলানা মামুনুল হককে আদালতে তোলা হবে আজ, নিরাপত্তা জোরদার

মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, মামুনুল হকের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে তাকে সবগুলো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। মামলাগুলোর তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে চার্জশিট দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তদন্তাধীন ১৭টি মামলার মধ্যে ৯টি মামলার এজাহারে মাওলানা মামুনুল হকের নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া পল্টন ও মতিঝিল থানা পুলিশের কাছে থাকা ৩২টি মামলার মধ্যে ৮টি মামলায় মামুনুল হকের নাম রয়েছে।

২০১৩ সালের মামলার নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, পল্টন থানার একটি মামলায় (নং ১২) ৩৬ নম্বর আসামি হিসেবে মামুনুল হকের নাম রয়েছে। এছাড়া পল্টন থানার আরেকটি মামলা (নং ১৮) ১৯ নম্বর আসামি হিসেবে মামুনুল হকের নাম রয়েছে। মতিঝিল থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় (নং ১১) ১২৭ নম্বর আসামি, পল্টন থানার একটি মামলায় (নং ২০) ৩৩ নম্বর আসামি, মতিঝিল থানার আরেকটি বিস্ফোরক মামলা (নং ১২) ১৭২ নম্বর আসামি হিসেবে মামুনুল হকের নাম রয়েছে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের মামলা ছাড়াও সম্প্রতি মোদিবিরোধী আন্দোলনের সূত্র ধরে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন ও মতিঝিল থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মতিঝিল ও পল্টন থানার পাঁচটি মামলায় মামুনুল হকের নাম রয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টাস সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক সহিংসতায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নারায়ণগঞ্জের একাধিক থানায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে একাধিক এজাহারে হুকুমের আসামি হিসেবে মামুনুল হকের নাম রয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মাওলানা মামুনুল হককে। তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার মোহাম্মদপুর থানায় ২০২০ সালে দায়ের হওয়া একটি নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ। তিনি জানান, তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, মামুনুল হককে একে একে সবগুলো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঢাকার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে ঢাকার বাইরে মামলাগুলোতেও গ্রেফতার দেখানো হতে পারে। ফলে আদালত থেকে জামিন নেওয়ার চেষ্টা করলেও সহসাই তার মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। একটি মামলায় জামিন পেলে তাকে আরেকটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে।

গত বছরের শেষ দিকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বাঁধা দিতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মাওলানা মামুনুল হক। এরপর স্বাধীনতার ৫০ বছর ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা আসার বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম। মোদিবিরোধী আন্দোলতে বেপরোয়া তাণ্ডবের পরপরই নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে নারীসঙ্গীসহ স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর আবারও আলোচনায় আসেন তিনি। ওই ঘটনার পর একে একে তার একাধিক নারীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ থাকার বিষয়টি আলোচনায় আসে। যদিও মামুনুল হক দুই নারীকেও তার শরীয়তসম্মত স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Developed By Banglawebs